ভূমিকা:
মূল ১জি শুধু ফোন কথোপকথনের জন্য তৈরি হয়েছিল, যাতে মানুষ একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারে। তবে এসএমএস, কলের মান, কল হোল্ড ও কনফারেন্স কল ১জির বৈশিষ্ট্য নয়। ২জি (দ্বিতীয় প্রজন্ম) হলো ১জি থেকে এক ধাপ অগ্রগতি। উচ্চ ব্যান্ডউইথ যুক্ত হওয়ায় ২জি ৬৪ কেবিপিএস হারে ডেটা পাঠাতে পারে। মূলত আমরা ১জির পরবর্তী প্রজন্মকে ২জি বলতে পারি।
ফেজ 2জি বলতে কী বোঝায়?
এটি ১জি অ্যানালগ সার্কিটকে ডিজিটাল সার্কিটে রূপান্তর করার জন্য তৈরি হয়েছিল। আমরা আজও যেসব মৌলিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করি, যেমন অভ্যন্তরীণ রোমিং, এসএমএস, কনফারেন্স কল, কল হোল্ড এবং সেবাভিত্তিক বিলিং, তার অনেকগুলো ২জি চালু করেছিল।[1]
গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস (জিএসএম) ২জি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার ফ্রিকোয়েন্সি ১.৮ গিগাহার্জ এবং কোর নেটওয়ার্ক পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) ও সাধারণ সার্কিট-সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্কে ব্যান্ডউইথ ৬৪ কেবিপিএস।
2জির নেপথ্য কাহিনি কী?
২জির কাজ ১৯৮০ সালে শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে সম্প্রসারিত হয়। ১জি ও ২জির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো, ১জি অ্যানালগ রেডিও সংক্রমণ ব্যবহার করে, আর ২জি ডিজিটাল রেডিও সংকেত ব্যবহার করে। মাল্টিপ্লেক্সিংয়ের মাধ্যমে একটি চ্যানেলে একাধিক ব্যবহারকারীকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা ২জির আছে।[1]
2জিতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত?
গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস (জিএসএম) হলো ২জি সেলুলার প্রযুক্তির ভিত্তি, যা ইউরোপীয় টেলিকমিউনিকেশনস স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউট (ETSI), টাইম ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (TDMA) IS-136 এবং কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (CDMA) মানকে কেন্দ্র করে তৈরি।[2]
2জি কীভাবে কাজ করে?
এটি ডিজিটাল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ঘনত্ব (সংকোচন) ও বিসংকোচন কৌশল ব্যবহার করে। এই সংকীর্ণ ব্যান্ডকে তিনটি সময়-স্লটে ভাগ করায় ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের মোট সক্ষমতা বাড়ে।
2জি কী কী সুবিধা দেয়?
- ৬৪ কেবিপিএস পর্যন্ত হারে ডেটা পরিবহন করা সম্ভব।
- অ্যানালগ সংকেতের পরিবর্তে ডিজিটাল সংকেত ব্যবহৃত হয়।
- এসএমএস ও এমএমএস (মাল্টিমিডিয়া বার্তা) অনুমোদিত সেবা
- উচ্চমানের ভয়েস কল করা হলে এই শর্তে
- এর ফ্রিকোয়েন্সি পরিসর ৩০ থেকে ২০০ কিলোহার্জ।
2জির অসুবিধাগুলো কী কী?
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নেটওয়ার্ক কভারেজ না থাকলে সংকেতের সমস্যা হবে।
- এটি ভিডিওর মতো জটিল ডেটা সামলাতে অক্ষম।
উপসংহার:
২জি প্রযুক্তি ১জির পরবর্তী প্রজন্ম, যা ১জির ঘাটতি দূর করতে তৈরি হয়েছিল। ১জি শুধু কম নিরাপত্তায় ব্যবহারকারীদের অডিও কথোপকথনের সুযোগ দেয়, কিন্তু ২জি আমরা এখন যেসব সেবা ব্যবহার করি তা সম্ভব করে: কনফারেন্স কল, কল হোল্ড, এসএমএস এবং সেবাভিত্তিক বিলিং। ২জিতে ১জির চেয়ে দ্রুত হারে ডেটা স্থানান্তরিত হয়।
- 5G, G.V.G.V.G.V.G.V.; পাওয়া যাবে: http://net-informations.com/q/diff/generations.html।
- পাওয়া যাবে: https://www.gartner.com/en/information-technology/glossary/2g-second-generation।
এক নজরে 2জি
- চালু: ১৯৯১ সালে (ফিনল্যান্ডে জিএসএম)।
- প্রযুক্তি: জিএসএম (টিডিএমএ) বা সিডিএমএ ব্যবহার করে ডিজিটাল ভয়েস।
- ডেটা গতি: প্রায় ৬৪ কেবিপিএস পর্যন্ত; জিপিআরএস ও এজ এটিকে কয়েকশ কেবিপিএস পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
- নতুন বৈশিষ্ট্য: এসএমএস, এমএমএস, এনক্রিপ্টেড কল এবং ১জির চেয়ে ভালো ভয়েস মান।
২জির সাথে অন্য সব প্রজন্মের তুলনা দেখুন ২জি বনাম ৩জি বনাম ৪জি বনাম ৫জি লেখায়।
দ্রুত উত্তর
2জি বলতে কী বোঝায়?
২জি মানে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা মোবাইল কলকে ডিজিটাল করেছে এবং টেক্সট বার্তা চালু করেছে।
২জি ও ৩জির মধ্যে পার্থক্য কী?
৩জি ডেটার জন্য অনেক বেশি দ্রুত, যা মোবাইল ইন্টারনেট ও ভিডিও কল সক্ষম করে, আর ২জি মূলত ভয়েস ও এসএমএসের জন্য। দেখুন ৩জি।
2g technology সম্পর্কে আরও
2g technology নিয়ে আরও এগিয়ে যেতে চান? Netstech-এর এই গাইড ও সেবাগুলো পরবর্তী ভালো ধাপ: